Skip to main content

আমার কাউকে প্রয়োজন নেই

কেউ বলছে এখন তার আর কাউকে প্রয়োজন নাই মানে সে আগে থেকে এমন ছিলো এমনটা নয়, এরা হারাতে হারাতে এখন এখন আর পাওয়া কেও বিশ্বাস করে না, তাই বলে আমার আর কাউকে প্রয়োজন নাই। 

আমার কাউকে প্রয়োজন নেই


আমার কাউকে প্রয়োজন নেই।

আমি একা দিব্যি ভালো থাকতে পারি, আমার একাকিত্ব আমি একাই উপভোগ করি।

আমার মন খারাপ হয় না, আমি যতটুকু সময় পাই নিজেকে সংশোধন করে চলি। নিজের ভুল গুলো শুধরে ফেলার চেষ্টায় মেতে থাকি।

এই টাইপ মানুষগুলোর সাথে তর্কে যাবেন না, কারণ এরা অনেক ঘাতপ্রতি এরিয়ে আজ উঠে দাঁড়িয়েছে। 

আপনার কি ধারনা এরা প্রথম থেকে এমন?

কখনো না, এরাও জীবনে বহুবার খারাপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে, এদের বহু মানুষ ঠকিয়েছে। কেউ বন্ধু হয়ে কেউ বা কাছের মানুষ, শুধু ঠকায়নি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে সব শেষে ছেড়ে চলে গেছে।

ভীষণ ভাবে কাঁদিয়েছে, ভীষণ যন্ত্রণার মধ্যে রেখে। এদেরকে মাঝ রাস্তায় ফেলে রেখে গেছে, যেখান থেকে ফিরতে কষ্ট হলেও তারা ফিরে এসেছে।  

কারণ  এদের নিজের প্রতি বিশ্বাস আর উদ্যম সাহসিকতা এদের বাঁচিয়ে রেখেছে, হয়তো ভেঙে পরছে কিন্তু অসহায় হয়ে পরেনি।

মন খারাপ হলে এরা কারো কাছে যায় না, অযথা কারো কথায় কান দেয় না। নিজের কষ্ট গুলো নিজের মধ্যেই রাখে,  কারণ নিজের কষ্ট ব্যাখ্যা করে কি হবে? 

এসব মানুষকে এক প্রকার শক্ত মানুষও বলা যায়......।

কারণ শক্ত মানুষ না হলে এত কিছু সহ্য করে আজ বেঁচে থাকতো না।

এদের হাসি দেখে আপনি অবাক হয়ে যাবেন, এদের মতো নিখুঁত হাসি আপনিও হাসতে পারবেন না।


এসব মানুষ সবচেয়ে সুখী মানুষের তালিকায় পড়ে।

এরা নিজের মাঝেই শ্রেষ্ঠ ও সুন্দর,,,।


এরা এখন আর সেই ছোট্ট ছোট্ট বিষয়ে মন খারাপ করে না,,, অনেক বড় বড় কষ্টও এদের চোখে পানি ঝড়াতে পারে না,,,,,। 

Comments

Popular posts from this blog

জীবনের আশা

নাইম ফোন হাতে রেখেই চুপ করে বসে পরলো। বসে নিজের কাছে নিজের কথা বলতে থাকলো। এই কি সেই ঝুমুর!! যার জন্য নাইম এতকিছু করলো। আর সেই ঝুমুর আজ এমন হয়ে গেল? তিন বছরের বেশি সময় ঝুমুরের সাথে নাইমের প্রেমের সম্পর্ক। প্রথমদিকে ভাল গেলেও আজ নাই নাই অবস্থায় পরে রয়েছে। আজ সেই প্রথম দিনগুলোর কথা মনে পরে যাচ্ছে। তিন বছর আগে, নাইম কোচিং সেন্টারে এসে বসে আছে। আজ মনেহয় আগেই চলে এসেছে। তাই, নিজে নিজে অসস্তিতে ভুগছে। তাই বসে থাকতে ভাল লাগছে না। নাইম বাইরে এসে অনেককেই আসতে যেতে দেখছে। কাউকে চেনা আবার কাউকে অচেনা। হঠাৎ নাইম একটা মেয়েকে তার দিকেই আসতে দেখলো। মেয়েটি কাছাকাছি আসতে মনেহল সে কোচিং সেন্টারেই ঢুকছে। তাই নাইম দাঁড়িয়ে না থেকে নিজেও কোচিং সেন্টারে ঢুকে গেল। আর মেয়েটিকে লক্ষ করতে থাকলো। নাইম দেখলো মেয়েটি তাদের ক্লাসে এসেই বসলো। তাই নাইম বাইরে না দাঁড়িয়ে রুমে এসে বসে থাকলো। আর মাঝেমাঝে মেয়েটিকে দেখতে থাকলো। কিছুক্ষণ পরে ক্লাস শুরু হয়ে গেল। নাইম ক্লাসে মন দিল। মাঝেমাঝে মেয়েটির দিকে তাকাতেই দেখতে পায় মেয়েটি মুচকি মুচকি হাসছে। আর হাসিটাও প্রানবন্ত হাসি। সেদিনের মত এভাবেই ক্লাস শেষ হয়ে গেল। কোচিং শে...

গল্প: ফিরে আসা, লিখা-আয়েশা

আমার বরকে দেখলাম একটা মেয়ের সাথে ভিডিও কলে কথা বলছে।আমাকে দেখেই মোবাইল টা ঘুরিয়ে রাখল।আমি কিছু বুঝতে দিলাম না।রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেল পানি খাবো দেখলাম রায়হান সেই ভিডিও কল নিয়ে ব্যস্ত।আমি পানি খেয়ে শুয়ে পড়লাম। ঘুমন্ত ছোট্ট সোনামণি নওমির দিকে চোখ পড়ল।কি মায়া আমার সন্তানের মুখটি।ওর জন্য আমি সব কষ্ট সহ্য করতে পারি।আমি রায়হান আর আমার দেড় বছরের মেয়ে নওমি আমরা একটা ভাড়া বাসায় থাকি।লাভ মেরিজ করে বিয়ে করেছি।প্রথমে মেনে না নিলেও এখন মেনে নিয়েছে দুই পরিবার। প্রায় পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে করি আমরা।রায়হান আমাকে খুব ভালোবাসতো।আর বলতো তুমি আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দরী।তখন মোহের কারনে বিশ্বাস করতাম আর অনেক খুশি হতাম  বিয়ের পরেও অনেক ভালোবাসা ছিল।কিন্তু নওমি পেটে আসার পর থেকে ও কেমন যেন হয়ে গেছে।এখন আর আমার দিকে তাকানোর ও সময় পায় না।ভালো করে কথাও বলে না।খুব ব্যস্ততা দেখায়।আগে আমাকে ছাড়া ভাত খেতে পারত না আর এখন বলেও না তুমি খেয়েছো কিনা। একদিন রাত বারোটার দিকে ঘুম ভেঙেছে, দেখলাম রায়হান পাশে নেই।পরে দেখলাম সোফায় শুয়ে শুয়ে ঐ মেয়ের সাথে কথা বলছে কানে হেডফোন লাগিয়ে।আমি আর সহ্যকরতে পারলাম না টান দিয়ে ফোনট...

নিঃশব্দ ভালবাসা -- শেখ শরিফ জয়

--- আমাকে একটু ভালবাসবি? --- কেন? --- মানুষ ভালবাসে কেন জানিস না? --- না। তুই বল! --- সাদা কালো জীবনটা রঙিন করার জন্য ভালবাসে। --- তাহলে থাক। আমার জীবন এমনিতেই রঙিন। --- কিন্তু আমার জীবনতো সাদা কালো রং চটা। --- তাতে আমি কি করবো? --- সেই জন্যইতো আমার একটু ভালবাসার রং দরকার। যে রং দিয়ে আমার জীবনটা রঙিন করতে পারি। --- না ,আমি পারবো না। --- আমি জানি তুই পারবি। প্লীজ একটু চেষ্টা করে দেখ। --- আচ্ছা তাহলে দেখি। .. কিছু সময় পর ,,, .. --- কিছু চেষ্টা করে দেখলি? --- দেখছি তবে হয় না রে। --- কি বলিস! হবেনা কেন! হবে। চোখ দুটো বন্ধ করে দেখ পারবি। --- কেনো! চোখ বন্ধ করে কি মানুষকে ভালবাসতে হয়? --- হুম চোখ বন্ধ করে ভালবাসতে হয়। --- তাহলে থাক। আমি অন্ধের মত ভালবাসতে পারবো না। --- তুই যেভাবে ভালোবাসতে চাস সেই ভাবেই ভালবাসিস। তবুও ভালবাস। --- আচ্ছা তোকে ভালবাসলে আমাকে কি দিবি? --- তোর জন্য এনে দেব একশত একটা লাল পদ্ম। মধ্য কপালে ঠাঁই পাবে নীল টিপ। নরম কোমল হাতে পরিয়ে দেব কাঁচের এত্ত গুলা চুড়ি। কালো ক্যাশে গুজে দেব রজনীগন্ধা। --- না থাক। --- কেন ! আবার কি হল? --- তোর এ...